আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে গোপন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে : প্রধানমন্ত্রী – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে গোপন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে : প্রধানমন্ত্রী

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১৯, ২০২১
আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে গোপন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী গোপন ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত তুলে ধরে বলেন, তথাকথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর একটি অংশ মিটিং করছেন কি করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় না রাখা যায়, কারণ হয়তো এটাই যে, আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়ন করেছে। “খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিল আমি প্রধানমন্ত্রী কেন বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারব না, শত বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারব না। এসব ঘোষণার পরই গ্রেনেড হামলা হয়েছিল”। খালেদা জিয়ার টার্গেট সবসময় তিনি ৷ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ও আরেক সামরিক শাসক এইচএম এরশাদ ক্ষমতায় থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল তাদেরকে পুরস্কৃত করেছিল যা তাদের জড়িত থাকারই স্বাক্ষ্য বহন করে ৷
আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের সভাপতিত্বকালে দেয়া প্রারম্ভিক ভাষণে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,‘এতো উন্নয়নের পরও কিছু মানুষ বিদেশে ও দেশে বসে অপপ্রচার করছে। এদের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে, অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের শক্তিই আওয়ামী লীগের শক্তি। আমরা জনগণের সেবায় পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি বলেই দেশের উন্নয়ন হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে গেছে। আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করছি। উন্নয়নের ছোঁয়া গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিএনপিকে কোন আশায় মানুষ ভোট দেবে? পলাতক আসামী যে দল চালায় তাদের কি আশায় ভোট দেবে, বলেন তিনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর দেশের অরাজকতার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ৭৫ এর পর বাংলাদেশে ১৯ টা সামরিক ক্যু হয়। আর তার ফলাফল হয় সামরিক বাহিনীর অনেক সদস্য, অফিসার, সৈনিক তাদেরকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। কারন একেকটা ক্যু হয়েছে এবং সেই ক্যু’র অপরাধ ধরে নিয়ে কোর্ট মার্শাল করা হয়েছে, ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়া হয়েছে এবং ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।