আদালত চত্তরে অঝোরে কাঁদলেন ওসি প্রদীপ – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

আদালত চত্তরে অঝোরে কাঁদলেন ওসি প্রদীপ

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১৭, ২০২১
আদালত চত্তরে অঝোরে কাঁদলেন ওসি প্রদীপ

ডেস্ক রিপোর্ট: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলার ৭ম দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অঝোরে কান্না করেছেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এজলাস থেকে বের করে আসামিদের পুলিশের প্রিজনভ্যানে তোলার সময় মামলাটির ২নম্বর আসামিকে কান্না করতে দেখা গেছে।

সে সময় হাতকড়া পরানো প্রদীপের দুই পাশে ছিলেন কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনীর উল গীয়াস ও পরিদর্শক হাফিজুর রহমান। এর আগে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে আনা-নেয়ার সময় প্রকাশ্যে এভাবে কখনও কান্না করেন নি ওসি প্রদীপ।

এ বিষয়ে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মেজর সিনহা হত্যা মামলার আসামি প্রদীপ হয়তো বুঝতে পেরেছেন শিগগিরই অপরাধের জন্য শাস্তি পেতে যাচ্ছেন। তিনি যে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে হত্যা করে অপরাধ করেছেন সেই অনুশোচনা তার মধ্যে কাজ করছে। আর নিশ্চিতভাবে তাকে অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। সেই আশঙ্কা থেকেই ওসি প্রদীপ কান্না করেছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

এদিকে, আগামি ২৯ থেকে ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল।

৭ম দফায় তিনদিন ধরে চলা সাক্ষ্যগ্রহণে দুই দিনই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। এর আগের দিন অপর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সহকারি পুলিশ সুপার মো: জামিলুল হকের জেরা সম্পন্ন করা হয়। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জন সাক্ষীর সাক্ষগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত জানান, এ মামলার দুই তদন্তকারী কর্মকর্তার মধ্যে প্রথম জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। অপরজনের জবানবন্দি শেষ হলেও জেরা চলমান রয়েছে। তার জেরা শেষ হলে ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী বিচার কার্যে যাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মেরিনড্রাইভ চেক পোস্টে গুলি করে হত‌্যা করা হয়।