খুলনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে দূর্নিতীর অভিযোগ : তদন্তের নির্দেশ – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

খুলনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে দূর্নিতীর অভিযোগ : তদন্তের নির্দেশ

admin
প্রকাশিত মার্চ ৯, ২০২২
খুলনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে দূর্নিতীর অভিযোগ : তদন্তের নির্দেশ

খুলনা ব্যুরো : খুলনার তেরখাদা উত্তর খুলনা এস এম এ মজিদ স্মারক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে যশোর বোর্ড ৷

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ১১জানুয়ারি মিজানুর মােল্লাসহ এলাকাবাসী ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী পাপিয়া ও তার স্বামী বিদ্যালয়
পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এস এম খবিরুল ইসলাম খসরুর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযােগ তুলে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
শিক্ষা বাের্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক বরাবর একটি আবেদন করেন। তাতে এই দম্পতির বিরুদ্ধে
যোগসাজোশে অর্থ আত্নসাৎ, দুর্নীতি ও অনিয়মের নানা চিত্র তুলে ধরা হয় । সেখানে টানা ১২ বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় আত্মীয় স্বজনদের চাকরী দেয়ার নামে ৮৮ লাখ টাকা বাণিজ্য, কমিটি গঠনে ভুয়া ভােটার, এক
ভােটারের নাম দু জায়গায় অন্তর্ভুক্তকরন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সদস্য নির্বাচন সহ নানা অনিয়ম এর কথা জানানো হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক পাপিয়া এই দুর্নীতি আড়াল করার এ জন্য গােপনে তার স্বামীকে ‘ দাতা সদস্য বানিয়েছেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে কৌশলে সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল রউফ মােল্লাকে অবৈধভাবে চাকরীচ্যুত করে সভাপতির স্ত্রীকে প্রধান শিক্ষকে নিয়োগ সহ নানা দূর্নিতীর অভিযােগ তুলে ধরা হয় ।

যশোর বোর্ডের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, এই আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১ মার্চ যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বাের্ড এর বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খােন্দকার রুহুল আমিনকে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন ৷ তবে এ ব্যাপারে খুলনা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খােন্দকার রুহুল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অভিযােগ পেয়েছি তবে অফিসিয়ালি ভাবে কোন তদন্তের নির্দেশ পাইনি ৷