রামপালে মতুয়া তীর্থস্থান নীরাপদ গোসাই এর আশ্রমে মহাউৎসব – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

রামপালে মতুয়া তীর্থস্থান নীরাপদ গোসাই এর আশ্রমে মহাউৎসব

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রামপালে মতুয়া তীর্থস্থান নীরাপদ গোসাই এর আশ্রমে মহাউৎসব

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের বৃহত্তম মতুয়া তীর্থস্থান রামপালের রাজনগর ইউনিয়নের শ্রী শ্রী নিরাপদ গোসাই এর আশ্রমে চলছে মতুয়া মহাউৎসব ৷ মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারী) থেকে সাড়ম্বরে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান শেষ হচ্ছে আজ ৷ ভক্তদের অনুদানে প্রতি বছর তিনদিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন অনুষ্ঠিত হলেও এবার করোনা পরিস্থিতির কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই দিনেই শেষ হচ্ছে আনুষ্ঠানিক আয়োজন ৷ সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে সনাতন ধর্মাবলম্বী লাখো পূন্যার্থী ঢাকের তালে কন্ঠে হরিবোল ধ্বনিতে যোগ দিচ্ছেন উৎসবে ৷ এ যেন শ্রদ্ধা আর ভক্তিতে উৎসবের অপূর্ব নিদর্শন ৷

উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের দীঘীর পাড় একটি প্রত্যন্ত এলাকা। দিঘীর পাড় থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দক্ষিনে অবস্থিত শ্রী শ্রী নিরাপদ গোসাই এর সেবাশ্রম। ঠিক কবে থেকে এত আড়ম্বরপূর্নভাবে মতুয়া সম্প্রদায়ের (হিন্দু সম্প্রদায়) এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার সঠিক হিসাব জানা না থাকলেও লোকমুখে প্রচারের ভিত্তিতে জানা যায়, নীরাপদ গোসাই একজন আধ্যাত্নিক ধর্মগুরু । এই স্থানে আসলে মানুষের বিভিন্ন বিপদ আপদ সহ অনেক কিছুর সমাধান মেলে এমন বিশ্বাসের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে এই সেবাশ্রম তীর্থস্থানে রূপ নেয়। প্রতি বছর বাংলা পজ্ঞিকার ফাল্গুন মাসের ৯,১০,১১ তারিখ ৩ দিন ব্যাপী এই মেলায় আগমন ঘটে লক্ষ লক্ষ ভক্তবৃন্দের ৷ ধর্মীয় সংগীত, ভাব কীর্তন আর পূন্যার্থীদের পদচারনায় মূখর হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা সহ ভারত থেকেও অনেকে মেলায় অংশগ্রহন করেন ৷

এবারও মেলা প্রাঙ্গনে পুরুষ-মহিলা সহ হাজারে হাজার মানুষের সমাগম । প্রথম দিনেই হাজারে হাজার সনাতন ধর্মালম্বী মানুষ এতে অংশগ্রহন করছেন । দিবারাত্র দর্শনার্থীদের প্রসাদ রান্না করা ও বিতরনের জন্য আছে কয়েকশত স্বেচ্চাসেবক-সেবিকা। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ-আনসার সহ প্রশাসন সার্বক্ষনিক তদারকি করছেন ৷

রামপাল থানার ওসি মোঃ সামসুদ্দিন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে সেচ্ছাসেবক, গ্রাম পুলিশ, ও পুলিশ সদস্যরা সাদা পোষাকে সর্বক্ষন নজদারি করছেন ৷ সনাতন ধর্মালম্বীদের এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার জন্য সবাইকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে ৷ যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য প্রশাসন সর্বদা তৎপর আছে ৷