শিমরাইল মোড়ে ফুটপাত দখল করে মাদক ব্যাবসায়ী কাইল্লা জামালের চাঁদাবাজি – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

শিমরাইল মোড়ে ফুটপাত দখল করে মাদক ব্যাবসায়ী কাইল্লা জামালের চাঁদাবাজি

Jakir Hossain
প্রকাশিত মার্চ ২৮, ২০২২
শিমরাইল মোড়ে ফুটপাত দখল করে মাদক ব্যাবসায়ী কাইল্লা জামালের চাঁদাবাজি

 

জাকির হোসেন :

সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশের কয়েকশত ফুটপাতের দোকান থেকে মাদক ব্যাবসায়ী ও নারীলোভী কাইল্লা জামাল সিন্ডিকেটের লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি। তাদের সিন্ডিকেটের সদস্যদেও বার বার র‌্যাব-পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় জামিনে এসে ফের চাদাঁবাজিতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। তবে মাদক ব্যাবসায়ী ও চাদাঁবাজ কাইল্লা জামাল রয়েছে এখনো অধরা তার অব্যাহত চাদাঁবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শিরাইলের সাধারন ফুটপাতের ব্যাবসায়ীরা।


সরেজমিনে শিমরাইল মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় তিন শতাধিক দোকান থেকে দৈনিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদাবাজি করছে ব্যাবসায়ী ও নারীলোভী কাইল্লা জামাল এবং তাদের সক্রিয় চাদাঁবাজ বাহিনীরা। তাদের শেল্টারদাতা হচ্ছে থানা পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, স্থানীয় মাস্তান এবং মার্কেট মালিকরা। বিনিময়ে তারা ফটুপাতের চাঁদাবাজির বাটোয়ারা পান। যার কারণে সড়ক দখল করে গড়ে উঠা ফুটপাতের অবৈধ দোকান-পাট স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ হয় না। আর ভোগান্তি ও হয়রানীর শিকার হচ্ছে পথচারীরা। চাঁদাবাজরা গ্রেপ্তার বা আটক হলেও মাসোহারা পাওয়া লোকজন তাদের জামিনে অথবা থানা থেকে ছাড়িয়ে আনে। পুলিশ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বাইপাস সড়কটিতে যান চলাচলের ব্যবস্থা করলেও তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কারণ চাঁদাবাজদের শেল্টারদাতা প্রভাবশালী হওয়ায় নানাভাবে দেনদরবার করে পুনরায় সড়ক দখলে উৎসাহ পাচেছ অবৈধ দখলদাররা।
জানা গেছে, শিমরাইল মোড় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ অবৈধভাবে গড়ে উঠা সকল ফুটপাত দোকান উচ্ছেদ করে দেয় হাইওয়ে পুলিশ। এসব দোকান থেকে দৈনিক ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতো ব্যাবসায়ী ও নারীলোভী কাইল্লা জামাল গংরা। উচ্ছেদের পর দেড় মাস পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ ফুটপাত বসাতে দেননি। ফুটপাতের চাঁদাবাজি বহাল রাখতে আবারো মাঠে নামে ব্যাবসায়ী ও নারীলোভী কাইল্লা জামাল বাহিনী। তার কারিশমায় ফের দখল হয়ে পড়ে ফুটপাত। নিশ্চুপ হয়ে পড়ে হাইওয়ে পুলিশের অভিযান। নিশ্চুপ হয়ে পড়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তরা।
ব্যাবসায়ী ও নারীলোভী চাদাঁবাজ কাইল্লা জামালের সহযোগীরা আর্থিক ফাঁয়দা প্রতি দোকান থেকে ৫ হাজার টাকা করে কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা তুলেছে। তারা জোর গলায় বলে বেড়াচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা ও হাইওয়ে পুলিশকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে আবার ফুটপাতে দোকান বসিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামাল বলেন, সকলকে ম্যানেজ করেই দোকান বসানো হয়েছে, আমি প্রতি মাসে বিভিন্ন স্থানে মাসোহারা দিয়ে কাজ করি তাই আমি গ্রেফতার হলেও বার বার ছাড়া পেয়ে যাই।