বিরামপুর কারাগার”৩০ বছরে নজর পড়েনি কারো”

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ , দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেলার পূর্ব অঞ্চলের ৫টি উপজেলার জনসাধারণের সুবিধার্থে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বিরামপুর উপজেলার কারাগার নির্মাণ করেন। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ায় পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর উপজেলা পর্যায়ে কোটগুলি জেলায় তুলে নেন। এরপর এই কারাগারের কার্যক্রম সম্পূর্ণ রূপে স্থগিত হয়। গত ৩০ বছরে ধরে কারাগারটি সংস্কারের অভাবে কারারক্ষীদের বাসস্থান, আসামীদের থাকার ঘরগুলো অযত্নে অবহেলায় প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। গণপূর্ত বিভাগ দিনাজপুর কারাগারটি সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষনে কোন ভূমিকা নেই।

তৎকালীন এরশাদ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ৫টি উপজেলার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচার কার্য জনসাধারণের দোরগড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে এই কারাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল । কিন্তু প্রশাসনিক কাঠামো ফিরে না আসায় উপজেলা গুলোতে উপ-কারাগার গুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । বর্তমান  উপ-কারাগারে এখন অন্যান্য অফিসের কাজ কর্ম চলছে। কিন্ত উপজেলা নির্বাচনের কাঠামো পরিবর্তন হওয়ায় এখন আর উপজেলা কারাগারগুলির আর গুরুত্ব নেই। শুধু লাল রংঙ্গের ঘরগুলি শোভা পাচ্ছে।

ততদিন বিরামপুরের উপ-কারাগারটি অবহেলায় অযত্নে পড়ে থাকবে?

এ ব্যাপারে ৫টি উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, সুধিজন, সাংবাদিক ও স্থানীয় সুশিল সমাজ বিরামপুরের উপ-কারাগারটি সংস্কার করে কাজে লাগার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসু-হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.