লালমনিরহাটে কপি চাষে কৃষক বিপাকে।।  কপির হালি ৬/৭ টাকা

সুমন ইসলাম বাবু,  লালমনিরহাট:লালমনিরহাট জেলার  সবজি চাষি কৃষকরা পরেছে  মহাবিপাকে। মৌসুমের শুরুতে সবজি হিসেবে কপি চাষে কৃষক বিপাকে। কপির হালি ৬/৭ টাকা। কয়েক দিনের ব্যাবধানে কপি চাষে কৃষক পরেছে মহা বিপাকে। কপির বাজার তলানিতে এসে দাঁড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার লালমনিরহাট নবাবের হাটে কৃষক তার ফসলের জমিতে কপি বিক্রি করছে ৪ টি ৫/৬ টাকা। এই দামে ক্ষেত হতে কপি বিক্রির জন্য উত্তোলনের কৃষি শ্রমিকের মুজুরির দাম উঠছেনা।
এবার অসহায় সেই সবজি চাষি কৃষকদের কিছুটা হলেও দাম পাইয়ে দিতে  শ্রমিক দিয়ে তুলে নিয়েছে কৃষক নিজে।
 প্রতি কেজি কপি  এক টাকার মূল্যেরও কম দাম। আজ বৃহস্পতিবার চাষীদের কাছ থেকে কপি, লম্বা বেগুন, ফুলকপি ও বাঁধাকপি কিনতে চায় না ক্রেতারা দাম কম হওয়ায়। লালমনিরহাটের কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ন্যায্য দাম পাচ্ছে না।  হটাৎ করে সবজির  বাজারে চাহিদার বিপরীতে কপির সরবরাহ অনেক বেশি। ফলে বাজারে কপির চাহিদা কম থাকায় দাম কমেছে। এদিকে চাহিদা কম থাকলেও মূলত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতেই কপি কিনে ভোক্তাদের কাছে কমমুল্যে বিক্রি করছে কৃষকরা।
 লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট, মেগারাম বাজার ও  বিমানবন্দর হাড়িভাঙ্গা গ্রাম  থেকে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নগদ অর্থ কপি কেনেন ব্যবসায়ীরা।
কপি নিয়ে বিপদে পড়া কৃষক মোঃ মজমুল হক বলেন, ‘আমার কৃষি ছাড়া আয়ের কোনো পথ নেই। এবার কপি আবাদ করেছি। ফলনও ভালো কিন্তু দাম নেই। কপি তোলা ও পরিষ্কার করার খরচও উঠছে না। এদিকে আলু চাষের সময়ও চলে যাচ্ছে। সরাসরি ক্ষেত হতে কপি বিক্রি করতে পেরে আনন্দিত। অন্তত কপি তুলে ক্ষেত ফাঁকা করতে পারছি। কৃষক আরও জানান,  দেশের অন্যকোন শপিংশপ বা প্রতিষ্ঠান কৃষকের ক্ষেত হতে সরাসরি সবজি কিনলে ও তাদের  পাশে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সবজির চাষে কৃষক  লাভের মুখ দেখবে।  উৎপাদিত পণ্যের বাজার পেলে আমাদের লোকসান গুনতে হবে না- বলে জানান আরেক চাষী মইনুল ইসলাম।  সবজি মৌসুমে এই জেলা হতে অন্যান্য সবজি যেমন, লম্বা বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য ফসল লালমনিরহাটের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা বিভিন্ন জেলায় পাটানো হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.