ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ নিউমার্কেট রনক্ষেত্র : সাংবাদিকসহ আহত ২০ – Latest breaking news in bangla ৷ channel26

ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ নিউমার্কেট রনক্ষেত্র : সাংবাদিকসহ আহত ২০

Jakir Hossain
প্রকাশিত এপ্রিল ১৯, ২০২২
ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ নিউমার্কেট রনক্ষেত্র : সাংবাদিকসহ আহত ২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিউ মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে এখন পর্যন্ত পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, হকার, সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক, দীপ্ত টিভির সাংবাদিক আসিফ সুমিত, তার ক্যামেরাপারসন ইমরান লিপু, এসএ টিভির রিপোর্টার তুহিন ও ক্যামেরা পারসন কবির হোসেন, মাই টিভির রিপোর্টার ড্যানি দ্রোং, আরটিভির ক্যামেরাপারসন সুমন দে, ডেইলি স্টারের ফটোগ্রাফার প্রবীর এবং আজকের পত্রিকার রিপোর্টার আল আমিন রাজু। আহত আরও যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন—সাজ্জাদ, সেলিম, রাজু, কাওসার, রাহাত, আলিফ, ইয়াসিন, রুবেল ও রাজু।

হামলার শিকার শাহেদ শফিক ঘটনাস্থল থেকে বলেন, ‌‌‌‘আমরা ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে খবর সংগ্রহের কাজ করছিলাম। এ সময় দেখতে পাই দীপ্ত টিভির রিপোর্টার আসিফ জামান সুমিতকে ঘিরে ধরে বেদম প্রহার করছে কয়েকজন হকার। এরপর আমরা এগিয়ে গিয়ে তাকে রক্ষার চেষ্টা করতে গেলে তারা আমাদেরও মারধর করে।’

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. আলাউদ্দিন জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের মাথায় আঘাত রয়েছে। তাদের নিউরোসার্জারি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের এখানে যারা এসেছে, তাদের কেউ আশঙ্কাজনক নয়। তিনি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ২০ জনের মতো পেয়েছি। এদের মধ্যে অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জানা যায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের তিন শিক্ষার্থী কাপড় কিনতে গেলে দোকানদারদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন ব্যবসায়ীরা। পরে ঢাকা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীরা নিউমার্কেট এলাকায় এসে ভাঙচুর চালান। শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। দফায় দফায় চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ সময় রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের ফলে সড়ক বন্ধ থাকায় ওই এলাকার রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।